ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-৩য় পর্ব

ahle hadith3কেরালা প্রদেশ:

আরও পড়ুন:

ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-১ম পর্ব

ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-২য় পর্ব

কেরালা প্রদেশে জমঈয়তের অঙ্গ সংগঠন জমঈয়ত নাদওয়াতুল মুজাহিদীন’ এর চারটি শাখাকে সমগ্র ভারতে সর্বাধিক তৎপর সালাফী সংগঠন হিসেবে গণ্য হয়।

তাদের তত্বাবধানে প্রায় ২৮০টি মসজিদ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়৪০০টি মাদরাসা ও স্কুলকয়েকটি কলেজএতিমখানাহাসপাতাল এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। তাদের পরিচালনায় ৪টি পত্রিকা এবং কয়েকটি যুবনারী ও শিশুতোষ ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। অনুরূপভাবে কেরালা জমঈয়তের একটি ডক্টরস ফোরাম রয়েছে যার নামএসোসিয়েশন অব মুসলিম ডক্টরসকেরালা (Association of Muslim doctors in Kerala)

ভারতের কেরালা প্রদেশে জমঈয়ত ৫টি সালাফী ইসলাহী বিভাগের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যথা:

১) নাদওয়াতুল মুজাহিদীন: তাদের মৌলিক কাজ হল সর্ব সাধারণের নিকট ইসলাম প্রচারের কাজ করা। এটাই হল সংগঠনের কেন্দ্রবিন্দু। এর অধিনে ৪৭৫টি শাখা রয়েছে।

২) লাজনাতুল বুহুসুল ইলমিয়া-কেরালা: এ বিভাগটি গবেষণা,ফতওয়া,দিক নির্দেশনা ও দাওয়াতি কার্যক্রম আঞ্জাম দিয়ে থাকে।

৩) ইত্তিহাদ শুব্বানুল মুজাহেদীন: এ বিভাগটি তরুণদের নিয়ে কার্যক্রম করে থাকে। তাদের ৪৭১টি শাখা রয়েছে।

৪) মুজাহিদ স্টুডেন্টস মুভমেন্ট: এ বিভাগটি বিভিন্ন স্তরের ছাত্রদের নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তাদের ৪২৭৭টি শাখা রয়েছে।

৫) মুজাহিদ গালর্স মুভমেন্ট: তাদের মোট ৫১২৭টি শাখা রয়েছে।

কাশ্মীর:

 আল্লামা নাজির হুসাই মুহাদ্দিস দেহলবী এর ছাত্র শাইখ মাওলানা মুহাম্মদ হুসাইন শাহ এবং শাইখ মাওলানা আনোয়ার শাহ শুবিয়ানী (ইলমুল ফারায়েজ বা উত্তরাধিকার শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ)। এই দু জন পণ্ডিতের বিরাট প্রভাব রয়েছে কাশ্মীর আহলে হাদীস দাওয়াতের ক্ষেত্রে।

১৯২৩ সালে অল ইন্ডিয়া আহলে হাদীস কনফারেন্স (যেটি পরবর্তীতে নাম করণ করা হয় মারকাযী জমঈয়তে আহলে হাদীস হিন্দ নামে) মাওলানা আব্দুল কাবীর এবং সাইয়েদ শামসুদ্দীনকে কাশ্মীরে ভ্রাম্যমাণ মুবাল্লিগ হিসেবে প্রেরণ করে। তাদের প্রচেষ্টায় কাশ্মীরের মাটিতে আহলে হাদীস কনফারেন্স,কাশ্মীর নামে আহলে হাদীস আন্দোলনের কার্যক্রম সূচিত হয়। এটি ১৯৪৫ সালে বাযমে তাওহীদ বা তাওহীদের দাওয়াত নামে পরিচিতি লাভ করে।

১৯৪৬ সালে জমঈয়তের পূর্ব নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম মারকাযী জমঈয়তে আহলে হাদীস জুম্মু ও কাশ্মীর নির্ধারণের পাশাপাশি জমঈয়েত সংবিধান প্রণয়ন করা হয়।

জঈয়তের কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জুম্মু-কাশ্মীরে পাঁচ শতাধিক শাখা অফিস খোলা হয়। এই সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত জনশক্তি পাঁচ লক্ষাধিক। এছাড়াও শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ,ফতোয়া,আওকাফ,মসজিদ,গবেষণা,দাওয়াহ,প্রচার ইত্যাদি প্রত্যেকটি কাজের জন্য জমঈয়তের আলাদা সাংগঠনিক বিভাগ রয়েছে।

সংগঠনের তত্ত্বাবধানে শ্রীনগরে সালাফী আকীদা নির্ভর প্রথম আরবি ও ইসলামী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তৎসঙ্গে বেশ কয়েকটি মাদরাসা ও ইসলামী ইন্সটিটিউটও প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠা করা হয় পাঁচ শতাধিক মসজিদ।

অনুরূপভাবে সংগঠনের উদ্যোগে যোগ্য ও দক্ষ দায়ী তৈরির উদ্দেশ্য বিভিন্ন সময় দায়ী প্রশিক্ষণ কোর্স এর আয়োজন করা হয় এবং কাশ্মীরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যে নিয়মিতভাবে প্রেরণ করা হয় দাওয়াতি কাফেলা ।

কাশ্মীর জমঈয়তের উদ্যোগে ১৯৫৭ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ২৮টি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানী শ্রীনগরে একটি পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে সংগঠনের সকল শাখা অফিসের তত্ত্বাবধানে একটি করে পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রকাশিত হয় মুসলিম নামে একটি ম্যাগাজিন ।

এ সব কিছু আয়োজনের উদ্দেশ্য হল,ইসলামের দুশমনদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি সর্ব সাধারণের মধ্যে সালাফে সালেহীনের চেতনা ও আদর্শকে বদ্ধমূল করা। সেই সাথে ইলম ও আমলের সমন্বয় সাধন করে এমন একদল যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম তৈরি করা যারা দীনের গভীর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি আধুনিক সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন থেকে সমাজের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।

শাহ ইসমাইল শহীদ দেহলবী রহ. এর নেতৃত্বে পরিচালিত জিহাদী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এবং আজাদ কাশ্মীর বিজেতা শাইখ ফজলে এলাহি ওয়াযিরাবাদী এর আদর্শিক প্রেরণায় উজ্জীবিত হয় গঠন করা হয় তাহরীকে মুজাহেদীন জুম্মু ও কাশ্মীর। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রদান করেন শাইখ আব্দুল গনী। তিনি অধিকৃত কাশ্মীরের কারাগারগুলোতে দু বছরের বেশি সময় বন্দি অবস্থায় কাটান।

তারপর তেরোটি জিহাদী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় কাশ্মীর জিহাদ বোর্ড। ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক তিন সেশনে এই বোর্ডের নেতৃত্ব প্রদান করেন শাইখ তানবীরুল ইসলাম। তারপর নেতৃত্বে আসেন শাইখ মুহাম্মদ এলাহি।

এই জিহাদি আন্দোলনের পক্ষ থেকে আরবি ও উর্দু ভাষায় দুটি ম্যাগাজিন নিয়মিত প্রকাশিত হয়। এগুলো কাশ্মীরে সার্বিক জিহাদের অবস্থা পর্যালোচনা এবং বিশেষ করে তাহরীকে মুজাহেদীন আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেব প্রকাশিত হতে থাকে।

এ ছাড়াও তাদের উদ্যোগে শিক্ষা,জনকল্যাণ ও দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কয়েকটি প্রকল্প পরিচালনা করা হয়। এ প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে মুজাহিদহিজরতকারী পরিবার ও জনসাধারণ সবার জন্য বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়।

কাশ্মীরে জমঈয়তের বরেণ্য বক্তিবর্গ:

অধিকৃত কাশ্মীরে জমঈয়তের উল্লেখযোগ্য ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব হলেন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ শাহদাদ। তিনি ছিলেন কাশ্মীর জমঈয়তের প্রথম সভাপতি। তারপর সংগঠনের নেতৃত্বে আসেনে মাওলানা গোলাম নবী মোবারক। তারপর সংগঠনের সভাপতির পদ অলংকৃত করেন মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল গনী শুবিয়ানী। তারপর শাইখ আব্দুল্লাহ তারী। তিনি কাশ্মীর জমঈয়তে আহলে হাদীস এর নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি কাশ্মীর লিবারেশন মুভমেন্ট এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। যে কারণে ভারত সরকার তাকে দু বছরের অধিক সময় কারাবন্দী রাখে। শাইখ আব্দুল্লাহর অবর্তমানে জমঈয়ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন শাইখ মুহাম্মদ রামাযান সূফী এবং তারপর সাইয়েদ মুহাম্মদ মকবুল কিলানী।

বাংলাদেশ:

ক) শাইখ নেয়মাতুল্লাহ বারদাওয়ানী।

তাঁর নেতৃত্বে ১৯১৪ সালে আসামে জমঈয়তে আহলে হাদীস প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলা ভাষায় কুরআনের অনুবাদক শাইখ আব্বাস আলী। তাদের সময়কালে জমঈয়তে আহলে হাদীস কুরআন-সুন্নাহর প্রচার-প্রসার ও শিরক-বিদয়াত বিরোধী সংগ্রামে যথেষ্ট অবদান রাখে। এ সময় জমঈয়তের উদ্যোগে কয়েকটি সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়।

খ) আল্লামা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কোরায়শী রহ.।

জমঈয়তের উদ্যোগে ১৯৪৬ সনে অনুষ্ঠিত কনফারেন্স এর মাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এরপর সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয়া হয়‘নিখিল বঙ্গ-আসাম জমঈয়তে আহলে হাদীস।’ সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হনমাওলা বখশ নাদভী।

এরপর একাধিক কনফারেন্স অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনের সংবিধানসিলেবাস এবং বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয় এবং ইলাকা ও জেলা ভিত্তিক শাখা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তাঁর তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত হয় মাসিক তর্জমানুল হাদীস।

আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী কোরায়শীর (রহ.) এর নেতৃত্বে পাকিস্তানে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একাধিক রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং তিনি ইসলামী রাষ্ট্রের মূলনীতি এবং পাকিস্তান ইসলামী রাষ্ট্রের সংবিধান রচনা করেন। এ উপলক্ষে তাঁর নেতৃত্বে ইসলামী দল সমূহের সমন্বয়ে মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গ) ডক্টর মুহাম্মদ আব্দুল বারী:

আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী রহ. এর ইন্তেকালের পর প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ আব্দুল বারী রহ. ১৯৬০ সালে জমঈয়তের সভাপতি নির্বাচিত হন আর সেক্রেটারি হিসেবে নির্বাচিত হন জনাব আব্দুর রহমান। তিনি সেই সাথে জমঈয়তের মুখপাত্র সাপ্তাহিক আরাফাত এর সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেন।

১৯৭২ সালে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হওয়ার পর তার সময়কালে জমঈয়ত অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। দেশ ভাগের পর সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয়া হয় ‘বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস।’

এ সময় সংগঠনের ৩৬৯টি আঞ্চলিক শাখা৫১০০টি উপশাখা গঠিত হয়। অনুষ্ঠিত হয় সাতটি কেন্দ্রীয় কনফারেন্স।

নেপাল:

ক) শাইখ আব্দুর রঊফ রহমানী ঝাণ্ডাগরী:

তিনি ছিলেন নেপাল জমঈয়তে আহলে হাদীসের সভাপতি ও জামেয়া সেরাজুল ঊলূম আস সালাফিয়ার সেক্রেটারি। তিনি মক্কায় রাবেতা আলম আল ইসলামীর ফাউন্ডেশন বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। তাঁর রচিত ৪৫ এর অধিক গ্রন্থ রয়েছে। এ গ্রন্থগুলো হাদীস ও ইলমে হাদীস এবং ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে রচিত। হাদীস এবং মুহাদ্দিসগণের বিরুদ্ধাচারণ কারীদের বিরুদ্ধে তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাদির মধ্যে রয়েছে,একত্ববাদের প্রমাণাদি,খেলাফতে রাশেদা, সুদ ও জুয়া হারাম, ঈমান ও আমল ইত্যাদি।

খ) শাইখ আব্দুল্লাহ আব্দুত তাওয়াব আল মাদানী:

তিনি নেপাল মাদরাসা খদীজাতুল কুবরা এর প্রতিষ্ঠাতা ও মাসিক নূরে তাওহীদ ম্যাগাজিন এর সম্পাদক। তিনি প্রথমত: জামেয়া সালাফিয়া বেনারস এবং তারপরে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন লাভ করেন।

তিনি বর্তমানে সউদী ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত নেপালি মুবাল্লিগদের সুপারভাইজার এবং নেপাল জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস এর দায়িত্বশীল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারত উপমহাদেশে আরও কতিপয় উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব:

ভারত উপমহাদেশে দাওয়াহ,তাদরীস,লেখনী ইত্যাদি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আহলে হাদীসগণের বিরাট অবদান রয়েছে। আকীদাইবাদতরাজনীতিঅর্থনীতি ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে আহলে হাদীস মনিষীগণ রেখেছেন অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর। আরও সে সকল মনিষীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

  • শাইখ মুহাম্মদ হুসাইন বাট্টালবী 
  • শাইখ মুহাম্মদ ইবরাহীম শিয়ালকোটী
  • শাইখ আব্দুল্লাহ রোপড়ী
  • তার ভাই শাইখ হাফেজ মুহাম্মদ হুসাইন
  • শাইখ আতা উল্লাহ হানীফ
  • শাইখ মুহাম্মদ সিদ্দীক সারজুদী
  • শাইখ আব্দুস সাত্তার দেহলবী
  • শাইখ জামীলুর রহমান আফগানী
  • শাইখ আব্দুল জাব্বার কান্দলোবী
  • শাইখ মুহাম্মদ আলী লক্ষৌবী মাদানী,
  • শাইখ আব্দুল হক মুলতানী
  • শাইখ মুহাম্মদ জুনাগড়ী
  • শাইখ হাফেজ আব্দুল হাই কিলানী
  • আব্দুল আযীয মাইমানী
  • শাইখ আব্দুস সালাম বাসনুবী
  • শাইখ আবুল কাসেম বেনারসী
  • শাইখ মুহাম্মদ সূরতী
  • শাইখ আব্দুল জলীল সামরূদী
  • শাইখ মুহাম্মদ আশরাফ সিন্ধী
  • শাইখ আব্দুল কাদের কাসূরী
  • শাইখ মুহাম্মদ আব্দুহ আল ফাল্লাহ
  • মাওলানা মুইনুদ্দীন লক্ষৌবী
  • হাফেজ আব্দুর রহমান মাদানী
  • এবং হাফেজ মুহাম্মদ সাঈদ প্রমূখ।

(চলবে ইনশআল্লাহ)

আরও পড়ুন:

ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-১ম পর্ব

ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-২য় পর্ব

2 thoughts on “ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-৩য় পর্ব

  1. Pingback: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস- ৪র্থ পর্ব (সমাপ্ত) | কুরআন-সুন্নাহ আমার জান্নাতের পথ

  2. Pingback: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-১ম পর্ব-২য় পর্ব | sogoodislam

আপনার মতামত বা প্রশ্ন লিখুন।

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s