ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-২য় পর্ব

ahle hadith2জমঈয়ত আহলে হাদীস গঠনঃ

পড়ুন: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-১ম পর্ব

১৩২৪ হিজরী মোতাবেক ১৯০৬ খৃষ্টাব্দে আহলে হাদীস আলেমগণ শাইখুল ইসলাম আবুল ওয়াফা সানাউল্লাহ আমৃতসরী (১৩৬৭ হি:) এর নেতৃত্বে এমন একটি জমঈয়ত (সংঘ) গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যার উদ্দেশ্য হলসালফে-সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী কিতাব-সুন্নাহর প্রচারবিভিন্ন ইসলাম বিধ্বংসী আন্দোলন ও আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা। যার নাম দেয়া হয়, ‘অল ইন্ডিয়া আহলে হাদীস কনফারেন্স।’

১৯৪৭ খৃষ্টাব্দে উপমহাদেশে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার পর আহলে হাদীস আন্দোলন সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। যার কারণে আহলে হাদীসদের সর্ব বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিল্লীর দারুল হাদীস রহমানিয়া তাদের হাত ছাড়া হয়ে যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে নতুনভাবে ভারত ও পাকিস্তানে জমঈয়ত আহলে হাদীস গঠন করা হয়। ফলে জমঈয়তের হারানো শক্তি পুনরায় ফিরে আসে।

অতঃপর উভয় দেশের জমঈয়ত যুগের চাহিদা পূরণ ও সালাফে-সালেহীনের রীতির আলোকে কুরআন-সুন্নাহর পাঠ ও পঠনের নিমিত্তে বিভিন্ন মাদরাসাজামেয়া ও একাডেমী প্রতিষ্ঠা করে।

জমঈয়ত প্রতিষ্ঠিত কতিপয় উল্লেখযোগ্য জামেয়াঃ

ভারত:

  • জামেয়া সালাফিয়া বেনারস। এটি ভারতের মাটিতে আহলে হাদীসদের প্রতিষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আরবী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকাল ১৩৮৩ হিজরী মোতাবেক ১৯৬৩ খৃষ্টাব্দ।
  • জামেয়া রহমানিয়া।
  • জামেয়া আহমদিয়া সালাফিয়া।
  • জামেয়া দারুস সালামউমরাবাদ।
  • জামেয়া সালাফিয়াকেরালা।
  • জামেয়া আল হিন্দকেরালা।
  • জামেয়া ইসলামিয়ামোম্বাই।
  • জামেয়া ইবনে তাইমিয়াবিহার।
  • জামেয়া ইমাম বুখারীবিহার ইত্যাদি।

পাকিস্তান:

  • জামেয়া সালাফিয়াফয়সালাবাদ। এটি হল ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির পর পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত সর্ব বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৫১ খৃষ্টাব্দ।
  • জামেয়াতুল উলূমিল আসারিয়া, জালহাম।
  • জামেয়া আবু বকর সিদ্দীককরাচী।
  • জামেয়া মুহাম্মাদিয়াগুজরানাওয়ালা ইত্যাদি।

প্রকাশনার জগতে জমঈয়তে  আহলে হাদীস:

এছাড়াও জমঈয়তের পক্ষ থেকে অনেক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করা হয় যেখানে বহু মূল্যবান ও বিরল গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি ও বই-পুস্তক রয়েছে। প্রকাশনার জগতে পাকিস্তান জমঈয়ত তার একাধিক আঞ্চলিক শাখা থেকে উর্দু ও আরবি ভাষায় পত্র-পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও সাময়িকী প্রকাশ করে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ:

  • মাসিক আহলে হাদীসঅমৃতসর
  • মাসিক আহলে হাদীসলাহোর
  • তরজুমানে আহলে হাদীস
  • আল ইতিসাম
  • আল রিবাত
  • সউতুল উম্মাহ
  • মুসলিম
  • তাওহীদ
  • সউতুল হক
  • ও সিরাতে মুস্তাকীম ইত্যাদি।

 জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস প্রতিষ্ঠা:

১৯৮৫ খৃষ্টাব্দে ছাত্র ও যুবকদের জন্য গঠন করা হয় জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস এবং জমঈয়তে তালাবায়ে আহলে হাদীস পাকিস্তান। এরপর এই পদ্ধতিতে ভারত উপমহাদেশের অন্যান্য দেশেও আহলে হাদীস ছাত্র ও যুবকদের জন্য আলাদা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৯৩ খৃষ্টাব্দে অক্টোবরে পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীসের জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে বেশ কয়েকটি সিটে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হয়। জমঈয়তের আমীর প্রফেসর সাজিদ মীর পাকিস্তানের পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন।

আহলে হাদীসদের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব:

ক) পাকিস্তান:

পাকিস্তানে আহলে হাদীসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:

১) শাইখ মুহাম্মদ দাউদ গজনবী (১৮৯৫-১৯৬৩খৃ:):

তিনি পাকিস্তান জমঈয়তের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি। তিনি ফয়সালাবাদে জামেয়া সালাফিয়া প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল এর সাথে শরীক হন। তিনি পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী আইন বাস্তবায়নে সম্মতি দিয়ে প্রশংসিত হন। কাদিয়ানী এবং হাদীস অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে তার অনেক ইলমী অবদান রয়েছে।

মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে তিনি এর প্রথম কেবিনেট সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম প্রণয়নে অংশ গ্রহণ করেন।

২) আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী ( মৃত্যু: ১৯৬৮খৃ:)

আল্লামা মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী পাকিস্তানে জামেয়া আহলে হাদীস প্রতিষ্ঠার অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি পাকিস্তানের মাটিতে দাওয়াহ ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রে প্রভাব সৃষ্টিকারী ভূমিকা রাখেন। গুজরানাওয়ালা আহলে হাদীস জামে মসজিদের খতীবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান জামেয়া মুহাম্মাদিয়ার শিক্ষক বোর্ডের প্রধান ছিলেন। অনুরূপভাবে তিনি পাঞ্জাব জমঈয়তে আহলে হাদীসের প্রধান কার্যালয়ের তত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন এবং ১৯৪৬ সালের দিল্লী কনফারেন্সের মাধ্যমে তাকে জমঈয়তের ইলমী কমিটির সেক্রেটারি নির্বাচন করা হয়।

১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর তিনি পাকিস্তান জমঈয়তে আহলে হাদীসের সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন এবং মৃত্যু অবধি (১৯৬৮ সাল) তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

শাইখ মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী কাদিয়ানী ফিতনা প্রতিরোধ কল্পে গঠিত ‘খতমে নবুওয়ত আন্দোলন’ এর কার্যকরী পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন।

১৯২৪ সালে হিন্দুত্ববাদী ‘শুদ্ধি আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন যখন মুলকান এলাকায় মুসলিমদেরকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরের কাজ শুরু করেছিল তখন তাদের প্রতিরোধে গঠিত হয়েছিল তাবলীগী প্রতিনিধি দল। আল্লামা ইসমাইল সালাফী রহ. এই দলের একজন একনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। সেই সাথে তিনি দাওয়াহএরশাদতাদরীসফতোয়া ইত্যাদিরও কাজও আঞ্জাম দেন।

অনুরূপভাবে ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর ভারত থেকে পাকিস্তানে হিজরতকারী পরিবার সমূহের পুনর্বাসন এবং তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে শাইখের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। সেই সাথে তিনি অনেক মসজিদ-মাদরাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন।

এত কিছুর পরেও পাকিস্তানের রাজনীতিতে তার বিশাল ভূমিকা ছিল। রাজনৈতিকভাবে তিনি প্রভাবিত ছিলেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দ্বারা। তিনি এবং মুহাম্মদ দাউদ গজনবী পাকিস্তানে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার দাবিতে পাকিস্তান সরকারের নিকট জমঈয়তের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৫২ সালে পাকিস্তানে ইসলামী সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে তিনি সদস্য নির্বাচিত হন।

১৩৮৭ হিজরী ২৩ জিলকদ মোতাবেক ১৯৬৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারিমঙ্গলবার তিনি পরলোক গমন করেন।

তিনি বেশ কতিপয় গ্রন্থ রচনা করেন। তন্মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হলবিখ্যাত হাদীস সংকলন মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থের উর্দু অনুবাদ ও ব্যাখ্যা।

৩) আল্লামা মুহাম্মদ বিন ফজলুদ্দীন গুন্দলবী (মৃত্যু: ১৯৮৫খৃ.):

শাইখ মুহাম্মদ ইসমাইল সালাফী এর পর বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও উসূলবীদ আল্লামা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ফজলুদ্দীন গুন্দলবী জমঈয়তের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

৪) আল্লামা শাইখ এহসান এলাহি যহীর (মৃত্যু: ১৯৮৭খৃ:):

বিশিষ্ট বাগ্মী আল্লামা শাইখ এহসান এলাহি যহীর, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিসান্স প্রাপ্ত। তিনি বিদয়াত পন্থীদের বিরুদ্ধে অনেক মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেন।

৫) প্রফেসর সাজিদ মীর:

জমঈয়তের বর্তমান সভাপতি প্রফেসর সাজিদ মীর যিনি ১৯৯৩ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জমঈয়তের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল শাইখ মিয়া মুহাম্মদ জামীল।

৬) আল্লামা আবু মুহাম্মদ বদীউদ্দীন শাহ রাশেদী সিন্ধী:

পাকিস্তানের আরও একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ আল্লামা আবু মুহাম্মদ বদীউদ্দীন শাহ রাশেদী সিন্ধী। বর্তমান যুগের অন্যতম বড় মুহাদ্দিস। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন সনদের অধিকারী। কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক তার বেশ কিছু মূল্যবান গ্রন্থ রয়েছে। তিনি দুই হারামে দারস দিয়েছেন। ভারত, পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশ থেকে তার প্রচুর ছাত্র রয়েছে।

খ) ভারত:

ভারতে আহলে হাদীসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন:

-শাইখ আব্দুল ওয়াহাব আরাবী। তিনি পাক-ভারত বিভাজনের পরে ভারতে জমঈয়তের নবগঠিত কমিটির প্রথম সভাপতি ছিলেন।

-শাইখ আব্দুল জলীল রহমানী (মৃত্যু: ১৯৮৬): তিনি ছিলেন জমঈয়ের সেক্রটারী জেনারেল। তিনি উর্দু ভাষায় কুরআনের তাফসীর রচনা করেন এবং তার তত্ত্বাবধানে আল মিসবাহ নামে প্রকাশিত হয় একটি উর্দু ম্যাগাজিন ।

– আব্দুল হাফীজ সালাফী। তিনি শায়খ আব্দুল ওয়াহাব আরাবীর পরে জমঈয়তের সভাপতির পদ অলংকৃত করেন। বর্তমানে তিনি বিহারে প্রতিষ্ঠিত জামেয়া আহমদিয়া সালাফিয়া এর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন।

-শাইখ আব্দুল ওয়াহীদ বিন আব্দুল হক সালাফী (মৃত্যু: ১৯৮৯খৃ): তিনি শাইখ আব্দুল হাফীজ সালাফীর পর জমঈয়তের সভাপতির পদে অধিষ্ঠিত হন। সেই সাথে তিনি জামেয়া সালাফিয়া বেনারস এর প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে মৃত্যু অবধি পরিচালনা পরিষদের সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেন।

শাইখ আব্দুল হামীদ বিন আব্দুল জব্বার রহমানী। লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি ইতোপূর্বে জমঈয়তের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এওয়াইকিং সেন্টার দিল্লী’র প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

-শাইখ মুখতার আহমদ নদভী। তিনি আদ দার আস সালাফিয়া-বোম্বাই এর পরিচালক। তিনি মারকাযী জমঈয়তে আহলে হাদীস-হিন্দ এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, শাইখ আব্দুল ওয়াহিদ খিলজী, লিসান্স: মদীনা ইসলামী বিশ্বিবদ্যালয়।

– শাইখ উবায়দুল্লাহ রহমানী মোবারকপুরী রহ.:

ভারতে আহলে হাদীসদের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেনজামেয়া সালাফিয়া-বেনারস এর প্রধান প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শাইখ উবায়দুল্লাহ রহমানী মোবারকপুরী রহ.। তিনি ‘মিরআতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ’ গ্রন্থের রচয়িতা।

– শাইখ আব্দুস সামাদ শরফ উদ্দীন ও ডক্টর মুক্তাদা হুসাইন আযহারী:

এ ক্ষেত্রে আল্লামা শাইখ আব্দুস সামাদ শরফ উদ্দীনের নাম উল্লেখযোগ্য। আরেক জন বরেণ্য ব্যক্তিত্ব হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ডক্টর মুক্তাদা হুসাইন আযহারী। তিনি জামেয়া সালাফিয়া বেনারস এর প্রভোস্টমাসিক সউতুল উম্মাহ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক এবং ইলমী গবেষণা বিভাগের প্রধান। এ ছাড়াও বিরাট সংখ্যক বিদগ্ধ উলামায়ে কেরাম রয়েছেন যারা সুন্নাহ ও দাওয়াহর খেদমতে নিজেদেরকে নিয়োজিত রেখেছেন।

(চলবে ইনশআল্লাহ)

আরও পড়ুন: পড়ুন: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-১ম পর্ব

2 thoughts on “ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-২য় পর্ব

  1. Pingback: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস- ৪র্থ পর্ব (সমাপ্ত) | কুরআন-সুন্নাহ আমার জান্নাতের পথ

  2. Pingback: ভারতবর্ষে আহলে হাদীসদের প্রকৃত ইতিহাস-৩য় পর্ব | কুরআন-সুন্নাহ আমার জান্নাতের পথ

আপনার মতামত বা প্রশ্ন লিখুন।

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s