যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন: ফযীলত ও করণীয়

بسم الله الرحمن الرحيم

যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন: ফযীলত ও করণীয়

অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله. أما بعد

আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ যে, তিনি নেক বান্দাদেরকে এমন কিছু মৌসুম দিয়েছেন যেগুলোতে তারা বেশি বেশি নেকীর কাজ করতে পারে। এই মৌসুমগুলোর অন্যতম হল, যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন। এ দিনগুলোর ফযীলতের ব্যাপারে কুরআন-সুন্নায় অনেক দলীল রয়েছে:

১. আল্লাহ তায়ালা বলেন:

وَالْفَجْرِ وَلَيَالٍ عَشْرٍ

“শপথ ফজরের। শপথ দশ রাতের। (সূরা ফজর: ১ ও ২) ইবনে কাসীর রাহ. বলেছেন: “এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল, যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন।” এই মত ব্যক্ত করেন ইবনে আব্বাস, ইবনুয যুবাইর, মুজাহিদ প্রমুখ। (সহীহ বুখারী) আরও পড়ুন

আল্লাহর দৃষ্টি থেকে যারা বঞ্ছিত থাকবে!

আল্লাহর দৃষ্টি থেকে যারা বঞ্ছিত থাকবে!

 আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিল্লাহ। আম্মাবাদঃ

এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা কিয়ামত দিবসে দয়াময় আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্ছিত থাকবে, তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না আর না তাদের প্রতি সুনজর দিবেন। তাদের সংখ্যা অনেক। [আল্লাহর কাছে দুআ করি, তিনি যেন আমাদেরকে এই বঞ্ছিতের অনিষ্ট থেকে হেফাযতে রাখেন, এর কারণ থেকে দূরে রাখেন এবং সেই বঞ্ছিত সম্প্রদায় থেকেও দূরে রাখেন।] বিস্তারিত

বই ডাউনলোড: নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছলাত সম্পাদনের পদ্ধতি-আল্লামা আলবানী রহ.

নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছলাত সম্পাদনের পদ্ধতি

আল্লামা আলবানী রহ.

বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

বইয়ের নাম: নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছলাত সম্পাদনের পদ্ধতি
“তাকবীর থেকে সালাম পর্যন্ত এমনভাবে যেন আপনি দেখছেন।”

মূল: আল্লামা মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহিমাহুল্লাহ)
অনুবাদ ও সম্পাদনা: আকরামুজ্জামান বিন আবদুস সালাম এবং আবূ রাশাদ আজমাল বিন আবদুন নূর।
প্রকাশনায়: তাওহীদ পাবলিকেশন্স।

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪৪

বইটির স্ক্যান কপি মিডিয়া ফায়ার থেকে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। (৯.৫০ মেগাবাইট)

উৎস: ফেসুবুক

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: কুরআনের আলো ডট কম

————————————————–

  • এই বইটির অন্য আরেকটি প্রকাশনা:

ডাউনলোড করুন: আলবানী রহ. রচিত রাসূল সা. এর নামায

  • আরও দেখুন:

আলবানী রাহ: প্রণিত ‘রাসূল সা. এর নামাযের পদ্ধতি’ সাথে একটি অনন্য নামায ভিডিও টেউটোরিয়াল

সউদী আরবে উচ্চশিক্ষা

সউদী আরবে উচ্চশিক্ষা

উচ্চ শিক্ষার্থে সৌদি আরব এশিয়া ও বিশ্বের মধ্যে এক অন্যতম অবস্থানে রয়েছে । আরবী ও ইসলামী শিক্ষা অর্জনের জন্য সৌদি আরব গোটা পৃথিবীর মধ্যে শীর্ষ স্থানীয় দেশ।
বিজ্ঞান ও সাধারণ শিক্ষায়ও সৌদি আরব পিছিয়ে নেই । রাজধানী রিয়াদের কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়, দাম্মাম কিং ফাহাদ পেট্রোল SPamp মিনারেল বিশ্ববিদ্যালয়, জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‍্যাংকিং এ শীর্ষ সারির মধ্যে রয়েছে । বৃত্তিতে অধ্যয়ন রত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সুযোগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অবস্থান শীর্ষে।

নারী শিক্ষার ক্ষেত্রেও সৌদি আরব পিছিয়ে নয় বরং সমগ্র পৃথিবীতে যেখানে নারীরা স্বাধীনতার নামে, আধুনিক শিক্ষার নামে নির্যাতিত, ধর্ষিত সেখানে সৌদি আরব নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে নিয়ে এসেছে বিপ্লব! নিশ্চিত করেছে নারীর নিরাপত্তা, আধুনিক উচ্চ শিক্ষা ও স্বাধীনতা। বিস্তারিত

ডাউনলোড করুন: আলবানী রহ. রচিত রাসূল সা. এর নামায

♦ বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়:

নাম: রাসূল সা. এর নামাজ (পূর্ণাঙ্গ ও সরল অনুবাদ)
মূল: আল্লামা মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন আলবানী রহ.
অনুবাদ: মাও: শামসুদ্দিন মুহাম্মদ সালেহ
সম্পাদনা: বি.এম. মোশাররফ হোসাইন
প্রকাশনায়: সাজিদ আহসান, সাজিদ প্রকাশন, বাংলাবাজার, ঢাকা
আপলোডার: ইউনিটি অফ মুসলিম উম্মাহ ডট ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪২
সফট কপির বিক্রয় মূল্য: ১২০টাকা মাত্র।
♦ বইটির স্ক্যানকৃত পিডিএফ কপি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন  করুন (২১.৬ মেগাবাইট)।

সালাফী বিডি থেকে আরও বিভিন্ন ইসলামী বই ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে

ইমাম ও ইমামতি (৫ম পর্ব)

ইমাম ও ইমামতি (৫ম পর্ব)
আব্দুর রাকীব (মাদানী)

মুক্তাদী সংক্রান্ত মাস্‌আলা-মাসাইলঃ
যদিও আমাদের আলোচনা ইমাম ও ইমামতিকে কেন্দ্র করে কিন্তু যেহেতু মুক্তাদী ছাড়া ইমাম ধারণা করা যায় না অর্থাৎ ইমাম ও মুক্তাদী একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত তাই এ পর্যায়ে আমরা মুক্তাদীর মাস্আলা-মাসাইল নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
১-মুক্তাদীগণ নামাযের উদ্দেশ্যে কখন কাতারবদ্ধ হবেন?
নামায শুরু হওয়ার সময় ইমাম যদি মসজিদের ভিতরে পূর্ব থেকে অবস্থান না করেন; বরং তাঁর বাসস্থান থেকে এসে ইমামতির স্থানে দাঁড়ায় তবে (নামাযের সময় হয়ে গেলে) মুক্তাদীগণ ইমামকে মসজিদে আসতে দেখলেই নামাযে দাঁড়াবেন এবং মুয়াযযিন ইকামত দিবেন, যদিও এখনও ইমাম তাঁর ইমামতির স্থানে না পৌঁছে থাকেন।
আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, ‘নামাযের জন্যে ইকামত দেয়া হত, আর লোকেরা কাতারে অবস্থান নিত, নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্থানে অবস্থান নেয়ার পূর্বে’। [মুসলিম, মাসাজিদ অধ্যায়, নং ১৩৬৮] অবশ্য ইমাম তাঁর স্থানে অবস্থান নেয়ার সময়ও মুয়াযযিন ইকামত দিতে পারে, তাতে নিষেধের কিছু নেই। বিস্তারিত পড়ুন

আমল কবুলের কতিপয় উপায় ও রমযানের পরে করণীয়

Originally posted on সালাফী বিডি: কুরআন-সুন্নাহর দিকে আহবান:

আমল কবুলের কতিপয় উপায়

রমযানের পরে করণীয়

লেখক: মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফ্ফান

সম্পাদনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী

  

ওয়ার্ড ডাউনলোড (৭৫কেবি)

পিডিএফ ডাউনলোড (২২০কেবি)

  যে কোন সৎ আমল করার পর আমাদের নিকট যে বিষয়টি মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় তা হল: আমল কবুলের বিষয়; কবূল হল কি হল না।

নিশ্চয়ই সৎ আমল করতে পারা বড় একটি নেয়ামত; কিন্তু অন্য একটি নেয়ামত ব্যতীত তা পূর্ণ হয় না, যা তার চেয়ে বড়, তা হল কবুলের নিয়ামত। এটি নিশ্চিত যে রমযানের  পর এত কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করে তা যদি কবূল না হয়, তবে অবশ্যই এক মহা বিপদ। এর চেয়ে আর বড় ক্ষতি কি রয়েছে যদি আমলটি প্রত্যাখ্যাত হয়, আর দুনিয়া আখিরাতের স্পষ্ট ক্ষতিতে প্রত্যাবর্তন করে?

    বান্দা যেহেতু জানে, অনেক আমলই রয়েছে যা বিভিন্ন কারণে গ্রহণযোগ্য হয় না। অতএব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমল কবুলের কারণ ও উপায় সম্পর্কে জানা। যদি কারণগুলি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে, তবে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে এবং ক্রমাগত তার উপর…

View original 2,694 more words

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 14,031 other followers